১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি| সন্ধ্যা ৬:১৭| গ্রীষ্মকাল|
শিরোনাম:
পরীক্ষার্থীকে কাঁধে করে হলে পৌঁছে দিলেন ছাত্রদল নেতা মানিক নগরীর মশা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছেন প্রশাসক টিপু বরুড়ায় হাফেজ আব্দুল হালিমের উপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ আমার কাছে মনে হচ্ছে মশা কমেছে বাকিটা তো আপনারা বলতে পারবেন-প্রশাসক টিপু কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বাড়ছে: ছুরিকাঘাতে আহত পুলিশ কনস্টেবল, কারা দিচ্ছে মদদ? দেবিদ্বারে রেজভিউল আহসান মুন্সির আগমন উপলক্ষে বিএনপির শোডাউন জিম্মি করে মঞ্জুরুল মুন্সির প্রাক্তন পুত্রবধূ বুবলি হতে চান এমপি;বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য ন্যায় বিচার পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মানবাধিকার কর্মী শুভ্র সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে ইঞ্জি: রিপন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনার তুঙ্গে এটিএম মিজান

লাগামহীন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দামে নাভিশ্বাস

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, আগস্ট ১৩, ২০২২,
  • 253 Time View

ডিমের হালি অর্ধশতক,ব্রয়লার মুরগী ডাবল সেঞ্চুরি প্রায়!

রথীন্দ্র রায় সোহাগ, কুমিল্লা

বেড়েই চলছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের দাম।সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে মধ্যবিত্ত,নিন্ম মধ্যবিত্ত সহ নিন্ম শ্রেনীর সকল মানুষ।সাধারন মানুষের সহজলভ্য খাবার ডিমের দাম প্রতি পিস রেকর্ড ১২.৫০টাকায়,অর্থাৎ হালি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে।

সরেজমিনে কুমিল্লা শহরের রাজগন্জ,চক বাজার,নিউমার্কেট, টমছমব্রিজ কাঁচা বাজারে ঘুরে দেখা যায়
চাল মিনিকেট খুচরা বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭৫-৭৮ টাকায়,নাজির শাইল কেজি ৭০ টাকা,আটাশ কেজি ৫৫ টাকা,পাইরি ৫০-৫২ টাকায় কেজি।

মটর ডাল ৭০টাকা,মুসুরি ডাল ছোট-১২০ এবং বড় -১০০ টাকা, মুগ ডাল-১০০-১২০টাকা কেজি।
সয়াবিন তেল খোলা এবং প্যাকেট জাত ১৮৫ টাকা লিটার,সরিষার তেল কেজি ২৪০ টাকা এবং লিটার ২২০ টাকা দরে খুচরায় বিক্রি হচ্ছে।
মশলার মধ্যে পেঁয়াজ ৪০ টাকা, রসুন দেশি সাইজ ভেদে ৬০-৭০-৮০ টাকা,আদা দেশি ৭০ টাকা, চায়না ১২০ টাকা কেজি দরে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচা বাজারে দেখা যায় আলু ৩০ টাকা কেজি,টমেটো ১০০-১১০ টাকা, শশা ৪০-৫০ টাকা,করলা ৬০-৭০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২৮০-৩০০ টাকা কেজি করে বিক্রি হচ্ছে।

এবং মাংসের মধ্যে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগীর দাম, যা এখন কেজিপ্রতি ১৮৫-১৯০ টাকা,সোনালী কক ২৮০ টাকা কেজি,লেয়ার মুরগী ২৮৫-২৯০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়,
সাধারণত জীবন ধারনের জন্য যে সব খাবার না কিনলে নাই হয়,ঐসব জিনিসই বেশি কিনছেন।

রাজগন্জের বাসিন্দা সুমন সরকার বলেন,”হুটহাট করেই জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে,ঠিকমতো সংসার চালানোই দায়,ছেলেমেয়েদের মুখে যে ভালো কোনো খাবার যেমন ডিম,মাংশ এগুলোই এখন নাগালের বাইরে,কার কাছে কি বলবো,আমাদের কথা বুঝানোর মানুষ এই দেশে নাই”

চকবাজারের বাসিন্দা বেসরকারী চাকরিজীবি নুরুল আমিন বলেন,
“আগে তো মানুষে বলতো ডাল ভাত গরীবের খাবার,এখন দেশের ৮০% মানুষ এই ডাল ভাতের উপর নির্ভরশীল।হুটহাট করে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে এগুলো কি দেখার কেউ নেই..?”
আসলেই দেখার কেউ নেই।
যে সকল তরকারি, সবজি কৃষকের মাঠে সামান্য দামে বিক্রি করে কিংবা কৃষক নায্য দাম না পেয়ে পচিয়ে ফেলে এসব সবজি বাজারে খুচরা চওড়া মূল্যে কিনতে হয়।
হয়তো সব নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যেরও একই অবস্থা,

সিন্ডিকেট বলেন, মধ্যস্বত্ব ভোগী বলেন সকলেই এই শ্রেণির কাছে বন্দী।
গত ১০-১৫ বছরে তো এই দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় নি,এবং তা ভবিষ্যতে নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে কিনা বা রাখা হবে কিনা কেউ বলতে পারে না।
দিন মজুর,শ্রমিক, কৃষক, ভাসমান মানুষ দিনদিন অসহায় হয়ে পড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, যদি যথাযথ কর্তৃপক্ষ এসব দ্রবমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে পদক্ষেপ না নেয় তবে দেশের অর্থনীতি বিরাট হুমকির মুখে পড়বে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category