মিঠু ফেসবুকের একটি কমেন্টে লিখেন👎
আমি দুঃসময়ে কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের হাল ধরা আপনাদের ফখরুল ইসলাম মিঠু:
#কে কাকে হুমকি দিলো এসব নিয়ে কেউ আমাকে আর ফোন দিয়েন না,আমি প্রতিবাদ করবো আর কিছু কিছু সিনিয়র উনার থেকে ধান্দার ভাগ খাবে এই প্রতিবাদের দরকার নাই। (অতীত থেকে শিক্ষা)
#৫ই আগস্ট এর পর আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন ছিলো সবচেয়ে বড় ব্যবসা যেটা করে যাচ্ছে কুমিল্লা বিএনপি’র ও যুবদলের একাংশের শীর্ষ নেতৃত্ব।
#উনারা ৫ ই আগস্টের পর শুধু আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন করে আওয়ামী লীগের ঠিকাদারি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে মালিক হয়েছে শত শত কোটি টাকার যার বেশিরভাগ টাকা দিয়ে ভারতে সম্পদ তৈরী করছে।
#বিএনপির ওই অংশ ইতিমধ্যে ঠাকুরপাড়ার ছোট একটা বিষয় নিয়ে আমাকে এক নাম্বার আসামি করে মামলা দায়েরের চেষ্টা চালিয়েছিলো (যদিও সফল হতে পারেনি) আওয়ামী ঘরনার চিহ্নিত যুবলীগ সন্ত্রাসীদের কে নিয়ে দফায় দফায় করেছে আমাকে দাবিয়ে রাখার গোপন মিটিং।
#মহানগর ছাত্রদলের আমাদের নেতৃত্বে যে কমিটি ছিলো ওই কমিটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে নতুন কমিটি গঠনও ছিলো সাবেক আওয়ামী সংসদের নির্দেশনার একটা অংশ,যা বাস্তবায়নে সিটি কর্পোরেশনের সাবেক নির্বাহী শামসুল আলম মহানগর ও জেলা বিএনপির ঐ অংশকে মোটা অংকের অবৈধ অর্থ প্রদান করে।
জনাব Tarique Rahman কুমিল্লাতে আর কেউ আপনার নির্দেশে সংগঠন করবে না,কারণ সবাই বুঝে গেছে আপনার নির্দেশের চেয়ে ভাইয়ের এবং সিন্ডিকেটের লোক হয়ে যারা আন্দোলন সংগ্রামে ঘরে বসে ছিলো ওরাই এখন ভালো আছে,, আর কোনঠাসা হয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন যারা আপনার নির্দেশে সরাসরি রাজপথে নেমেছিলো।