৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৪ঠা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি| রাত ১১:৩১| গ্রীষ্মকাল|
শিরোনাম:
নগরীর মশা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছেন প্রশাসক টিপু বরুড়ায় হাফেজ আব্দুল হালিমের উপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ আমার কাছে মনে হচ্ছে মশা কমেছে বাকিটা তো আপনারা বলতে পারবেন-প্রশাসক টিপু কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বাড়ছে: ছুরিকাঘাতে আহত পুলিশ কনস্টেবল, কারা দিচ্ছে মদদ? দেবিদ্বারে রেজভিউল আহসান মুন্সির আগমন উপলক্ষে বিএনপির শোডাউন জিম্মি করে মঞ্জুরুল মুন্সির প্রাক্তন পুত্রবধূ বুবলি হতে চান এমপি;বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য ন্যায় বিচার পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মানবাধিকার কর্মী শুভ্র সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে ইঞ্জি: রিপন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনার তুঙ্গে এটিএম মিজান চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় জামাল উদ্দিন

প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে ত্রুটি;ক্ষোভ প্রকাশ অভিভাবকদের

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, মার্চ ৫, ২০২৩,
  • 221 Time View

ফজলুল হক জয় ।।

গত কয়েকদিন পূর্বে প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে বৃত্তি পেয়েছিলেন ৮২ হাজার ৩৮৩ শিক্ষার্থী।উচ্ছ্বাস বিরাজ করছিল ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে। কিন্তু হঠাৎ করেই কারিগরি ত্রুটি দেখিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এই ফলাফল স্থগিত ঘোষণা করেন। তারপরই দেখা দেয় বিপত্তি।তখন থেকেই শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মাঝে উৎকণ্ঠা দেখা দেয়।

এর কয়েক ঘন্টা পরেই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নতুন করে সংশোধিত ফলাফল ঘোষণা করেন যাতে দেখা যায় পূর্বে বৃত্তিপ্রাপ্ত অনেক শিক্ষার্থী নতুন তালিকায় বৃত্তি থেকে বঞ্চিত হন। এতে ক্ষোভে পেটে পড়েন সুশীল সমাজ, শিক্ষার্থী অভিভাবক সহ অনেকেই। অনেকের মতে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর মাধ্যমে নিজের অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সাবেক সহকারী অধ্যাপক মো. মেহেদি হাসান তার মেয়ের ফলাফলের কষ্টের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে তার নিজস্ব ফেসবুক ওয়ালে লিখেন,

“‘আমার মেয়ে এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় উপজেলায় ট্যালেন্টপুলে (মেধাতালিকা) বৃত্তি পায়। কিন্তু সংশোধিত ফলাফলে সাধারণ গ্রেডেও তার নাম নেই। আমার মেয়েটা শুধু কান্না করছে। কচি মনে মেয়েটা মারাত্মক আঘাত পেয়েছে। এখন আর সে পড়াশোনা করতে চাচ্ছে না। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের এ ধরনের খামখেয়ালিপনা মেনে নেওয়া যায় না।’ — প্রাথমিক বৃত্তির সংশোধিত ফলাফল প্রকাশের পর এক বাবার অভিব্যক্তি। ফল প্রস্তুতিতে ভুল হয়ে গেছে। এটা অনিচ্ছাকৃত ধরে নিলাম। এটাতো শিশুদের একটা পরীক্ষার ফল। যে পরীক্ষার পক্ষে অনেকে ছিলেন না। ঘোষিত ফলটা বাতিল না করে, সংশোধিত অংশের নতুনদের জায়গা করে দেওয়া যেতো। তাতে হাজার কোটি টাকা লাগতো না। কিন্তু নিরপরাধ শিশুগুলো নরকতুল্য কষ্টের মুখোমুখি হতো না।”

কারিগরি ত্রুটির কারণ দেখিয়ে বহু শিক্ষার্থীর কচি মন নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ছিনিমিনি খেলেছেন বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category