২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| ৮ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ| ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি| বিকাল ৫:১১| হেমন্তকাল|
শিরোনাম:
মাইলস্টোন ট্রাজেডিতে নিহত পরিবারের পাশে থেকে সহযোগিতার আশ্বাস বিএনপি নেতার সাংবাদিক নেকবর হোসেনের পিতা মো. আবুল হোসেন এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ স্বতন্ত্র ইলেকশন করলে ৫’শ ভোটও পাবেননা বরং জামানত হারাবেন-অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া দেবিদ্বারে নির্বাচনকে সামনে রেখে ফ্যাসিস্টের দোসরদের ঠাঁই হচ্ছে এনসিপি’র পতাকা তলে আমি সংসদে গেলে দেবিদ্বার হবে উন্নয়নের বাতিঘর : এড. সাইফুল ইসলাম তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ হবে মানবিক রাষ্ট্র : এ্যাড. আজিজ মোল্লা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সভাপতি নির্বাচিত হলেন বুড়িচংয়ের কামরুল হাছান বাঞ্ছারামপুরের জনগণ ধানের শীষের প্রার্থী ছাড়া অন্য কাউকে মেনে নেবে না-পলাশ আমি হোমনার ভাড়াটিয়া নই এখানে আমার বাড়ি এবং আমি হোমনারই ভোটার -সেলিম ভূঁইয়া তিতাসে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে গণসংযোগ করলেন আক্তারুজ্জামান সরকার

প্রদীপ কুমারের ২০ বছর এবং তার স্ত্রীর ২১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, জুলাই ২৭, ২০২২,
  • 185 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মেজর সিনহা হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামী টেকনাফ থানার বরখাস্ত সাবেক ওসি প্রদীপ কুমারের ২০ বছর এবং তার স্ত্রীর ২১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত।

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের ২০ বছর এবং তার স্ত্রী চুমকি কারনের ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বুধবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হক মাহমুদ কে বলেন, ‘আদালত চারটি ধারায় প্রদীপকে ২০ বছর এবং চুমকিকে ২১ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন। মামলায় ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।’

চারটি ধারায় দণ্ডের বিষয়ে দুদকের আইনজীবী বলেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় প্রদীপ কুমার দাশকে খালাস দেওয়া হয়। এ ধারায় তার স্ত্রী চুমকি কারনকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়, অনাদায়ে আরও একমাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২৭ (১) ধারায় প্রদীপকে আট বছর এবং চুমকিকে আট বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২)(৩) ধারায় উভয়কেই ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং চার কোটি টাকার অর্থদণ্ড, অনাদায়ে দুই বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় প্রদীপ-চুমকিকে দুই বছর করে করে কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অবৈধভাবে অর্জিত তাদের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।’

২০২০ সালের ২৩ আগস্ট প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি করা হয়। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন এ মামলা করেন।

মামলায় তিন কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ২০২১ সালের ২৬ জুলাই প্রদীপ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর এই মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। মামলার পর থেকে পলাতক ছিলেন চুমকি। গত ২৩ মে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রদীপ বর্তমানে চট্টগ্রাম জেলা কারাগারে রয়েছেন। তার স্ত্রীও দুদকের মামলায় কারাগারে আছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category